একটা ওয়েবসাইট চালু করতে দুটো জিনিস লাগে — ডোমেইন (যেমন yourname.com) আর ওয়েব হোস্টিং। এই লেখায় সহজ ভাষায় জানবেন ওয়েব হোস্টিং কি, কিভাবে কাজ করে এবং হোস্টিং কেনার আগে কী কী দেখা জরুরি।
ওয়েব হোস্টিং কি?
আপনার ওয়েবসাইটের সব ফাইল, ছবি, ডাটাবেস আর ইমেইল একটা কম্পিউটারে রাখতে হয়, যেটা ২৪ ঘণ্টা ইন্টারনেটে যুক্ত থাকে। এই বিশেষ কম্পিউটারকে বলে সার্ভার। সার্ভারে জায়গা ভাড়া নেওয়াকেই বলে ওয়েব হোস্টিং। কেউ আপনার ডোমেইন লিখে ব্রাউজ করলে সার্ভার থেকে ওয়েবসাইটটা তার কাছে পৌঁছে যায়।
ডোমেইন আর হোস্টিংয়ের পার্থক্য
ডোমেইন হলো আপনার দোকানের ঠিকানা, আর হোস্টিং হলো দোকানের জায়গা। ঠিকানা ছাড়া কেউ আপনাকে খুঁজে পাবে না, আবার জায়গা ছাড়া দোকান সাজানো যাবে না — তাই দুটোই লাগে। আপনার পছন্দের ডোমেইন খালি আছে কিনা এখানে চেক করুন।
হোস্টিং কত ধরনের?
- শেয়ার্ড হোস্টিং: একটা সার্ভার অনেকজন মিলে ব্যবহার করে। ব্যক্তিগত, ছোট ব্যবসা বা ব্লগের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী।
- রিসেলার হোস্টিং: নিজের হোস্টিং ব্যবসা শুরু করতে চাইলে।
- ভিপিএস হোস্টিং: বড় ওয়েবসাইট বা অ্যাপের জন্য আলাদা রিসোর্স।
- ডেডিকেটেড সার্ভার: পুরো একটা সার্ভার শুধু আপনার।
বিস্তারিত তুলনা পড়ুন: শেয়ার্ড vs ভিপিএস vs ডেডিকেটেড।
হোস্টিং কেনার আগে যা দেখবেন
- BDIX সংযোগ: বাংলাদেশি ভিজিটরদের জন্য ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয়।
- NVMe SSD ও LiteSpeed: সাধারণ SSD-এর চেয়ে অনেক দ্রুত।
- ফ্রি SSL: https ছাড়া গুগল সাইটকে "Not secure" দেখায়।
- cPanel: সহজে ইমেইল, ফাইল আর ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজ করা যায়।
- ব্যাকআপ ও আপটাইম: অন্তত ৯৯.৯% আপটাইম গ্যারান্টি।
- বিকাশ/নগদ পেমেন্ট আর ২৪/৭ সাপোর্ট।
Hostvion থেকে হোস্টিং নিন
Hostvion-এর BDIX অপটিমাইজড NVMe SSD হোস্টিং শুরু মাত্র ৳200/মাস থেকে — সাথে ফ্রি SSL, cPanel আর ২৪/৭ সাপোর্ট। বিকাশ বা নগদ দিয়ে পেমেন্ট করলেই কয়েক মিনিটে হোস্টিং চালু।